হাত-পা ঝিনঝিন হলে অবহেলা নয়! ঝিনঝিন এর কারণ, ভিটামিন ঘাটতি, ব্যায়াম ও প্রতিকার জেনে নিন সহজ সমাধান টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে।
ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুনভাবুন তো, হঠাৎ আপনার হাত বা পা ঝিনঝিন শুরু করলো। মনে হলো যেন সূঁচ ফুটছে, আবার কিছুক্ষণ পর সব ঠিক হয়ে গেল। অনেক সময় আমরা এটাকে গুরুত্ব দিই না। কিন্তু প্রতিদিন যদি এমন হয়? রাতে ঘুম ভেঙে যায় বারবার ঝিমঝিমের কারণে? হয়তো আপনি হাঁটতে গেলে পা ভারী হয়ে যায় বা দীর্ঘক্ষণ কাজ করার পর হাতে ঝিনঝিন শুরু হয়।
এই ছোট ছোট লক্ষণগুলো আসলে আমাদের শরীরের ভেতরে ঘটে যাওয়া বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই আজকের এই বিস্তারিত আলোচনা শুধুমাত্র "ঝিনঝিন" বিষয়কে ঘিরে—এর কারণ, প্রতিকার, জীবনধারার পরিবর্তন এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত তা নিয়েই।
ঝিনঝিন আসলে কী? ঝিনঝিনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে Paresthesia বলা হয়। এটি এমন এক ধরনের অনুভূতি যেখানে হাত বা পা অবশ হয়ে আসে, সূঁচ ফোটার মতো লাগে বা অস্বাভাবিক চুলকানির মতো অনুভূতি হয়। সাধারণত নার্ভ বা স্নায়ুর চাপ, রক্তসঞ্চালনের সমস্যা বা ভিটামিন ঘাটতির কারণে এটি হয়ে থাকে।
আরও স্বাস্থ্য টিপস জানতে ভিজিট করুন ডা. রোমানুল ইসলামের হোমপেজ।
অনেকেই ভয় পান—"বাম হাত ঝিনঝিন মানেই হার্ট অ্যাটাক?" সবসময় নয়। তবে যদি ঝিনঝিনের সঙ্গে বুকে চাপ, ঘাম, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরা থাকে তবে এটি হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
ঝিনঝিনের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে আমাদের টেলিমেডিসিন সেবা এর মাধ্যমে এখনই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।
দুই হাত সোজা করে সামনের দিকে ধরে আস্তে আস্তে ঘুরান।
আঙুলগুলো আলাদা করে টেনে ছাড়ুন।
একবার শক্ত করে মুঠি বাঁধুন, আবার ঢিলা করুন।
হাত দুটো জোড়া দিয়ে টান দিন, এতে রক্তসঞ্চালন বাড়ে।
আঙুলগুলো উপরের দিকে তুলে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
গোড়ালি ঘড়ির কাঁটার মতো ও বিপরীতে ঘোরান।
সবচেয়ে বেশি দায়ী হলো ভিটামিন B12। এর অভাবে স্নায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে। এছাড়া—
👉 তাই ঝিনঝিন কমাতে খাদ্য তালিকায় মাছ, ডিম, দুধ, বাদাম, শাকসবজি, কলিজা রাখা খুবই জরুরি।
শরীর ডিহাইড্রেটেড হলে ঝিনঝিন বাড়ে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
নিয়মিত চেকআপ করুন এবং ওষুধ সময়মতো খান।
রক্তসঞ্চালন বাড়াতে কার্যকর।
হাঁটা, যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিং স্নায়ু সক্রিয় রাখে।
যদি—
👉 তবে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আমাদের টেলিমেডিসিন সেবা এর মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ঝিনঝিনকে ছোট সমস্যা ভেবে অবহেলা করলে বড় রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অনেক সময় এটি শুধু রক্তসঞ্চালন বা পুষ্টির সমস্যা, আবার কখনো হার্ট বা স্নায়ুর জটিল রোগের ইঙ্গিতও হতে পারে। আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
এখনই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুনযেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলুন
হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই চিকিৎসা সেবা পান
সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন
অনলাইনেই প্রেসক্রিপশন পান এবং ওষুধ অর্ডার করুন
এই আর্টিকেলটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। বিস্তারিত জানতে ডিসক্লেইমার দেখুন।